Thursday, July 2, 2026

ছএপাড়া গ্রামে শিমুল কাজী খুনের আসামী (১) লালখাঁ ও   (৫) মিজানুর রহমান কট...!

ছএপাড়া গ্রামে শিমুল কাজী খুনের আসামী (১) লালখাঁ ও (৫) মিজানুর রহমান কট...!

চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ছত্রপাড়া গ্রামের আলোচিত শিমুল কাজি হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার।

 
চুয়াডাঙ্গায় ঈদের দিনে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ২

চুয়াডাঙ্গায় ঈদের দিনে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ২

 

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে ঈদুল ফিতরের দিন বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।



নিহতরা হলেন- ছত্রপাড়া গ্রামের মৃত ইংরেজ কাজির ছেলে নাজিম উদ্দীন কাজি (৭৫) এবং নাবু কাজির ছেলে শিমুল কাজি (১৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের নামাজ শেষে পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে দুপুরের দিকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে নাতি শিমুল কাজি আহত হওয়ার খবর পেয়ে দাদা নাজিম উদ্দীন কাজি অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, নাতিকে রক্ষা করতে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। অন্যদিকে, গুরুতর আহত শিমুল কাজিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ু

ঈদের দিনে চট্টগ্রামে বাস উল্টে নিহত ১, আহত ২৫

অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি লাল খাঁ ও উপজেলা যুবদল সদস্য জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ‘জাহাঙ্গীর গ্রুপ’ প্রতিপক্ষ ‘কুবির কাজি গ্রুপ’-এর ওপর হামলা চালায়। এতে কুবির কাজিসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।


d2949083-1119-43fb-9dbc-260f78f9a236

আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. প্রশান্ত কুমার ধর জানান, সংঘর্ষের পর অন্তত ৫ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে আছিয়া বেগম ও শরিফুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়ায় রেফার করা হয়েছে।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বনি ইসরাইল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

Saturday, June 6, 2026

বারে ৩ বার বল লাগলে গোল, চোটের ভান করলেই শাস্তি?

বারে ৩ বার বল লাগলে গোল, চোটের ভান করলেই শাস্তি?

 

ফুটবলকে বলা হয় ‘দ্য বিউটিফুল গেম’ বা সুন্দর খেলা। কিন্তু মাঝে মধ্যে এই সুন্দর খেলাই হয়ে ওঠে চরম একঘেয়ে ও বিরক্তিকর। আগামী ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে শুরু হতে যাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। ৪৮টি দলের ১০৪টি ম্যাচের এই বিশাল ক্রীড়াযজ্ঞ চলবে সাড়ে ছয় সপ্তাহ ধরে। নিজের দেশের ম্যাচ দেখার উত্তেজনা আলাদা হলেও, নিরপেক্ষ ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অনেক ম্যাচই হতে পারে চরম ম্যাড়মেড়ে। কারণ বিশ্বকাপে হারার ভয় এতটাই বেশি থাকে যে দলগুলো বড় কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না; বরং রক্ষণাত্মক খেলে ড্র করাই তাদের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়।

ফুটবলকে আরও গতিশীল ও বিনোদনমূলক করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছে। আর্সেনালের সাবেক কিংবদন্তি কোচ আর্সেন ভেঙ্গার অফসাইড নিয়মে বদল আনা কিংবা থ্রো-ইন তুলে দিয়ে ‘কিক-ইন’ (পা দিয়ে বল মাঠে পাঠানো) চালুর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে বিখ্যাত সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট মনে করে, ফুটবলকে সত্যিকারের রোমাঞ্চকর করতে হলে আরও আমূল এবং বৈপ্লবিক পরিবর্তন দরকার। ফুটবলকে একঘেয়েমি থেকে বাঁচাতে তারা কিছু অদ্ভুত ও মজার প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে:

বারে তিনবার লাগলেই গোল!

আক্রমণাত্মক ফুটবলকে পুরস্কৃত করতে একটি নিয়ম করা যেতে পারে— কোনো দল যদি ম্যাচের মধ্যে তিনবার গোলপোস্ট বা ক্রসবারে বল লাগায়, তবে সেটিকে একটি ‘গোল’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এতে দলগুলো গোলপোস্টে শট নিতে আরও বেশি উৎসাহিত হবে।

আরও পড়ুন>>
ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মানুষের আগ্রহ এবার এত কম কেন?
ফুটবলে ‘সবচেয়ে দুর্বল’ দেশ: সান ম্যারিনো সম্পর্কে মজার কিছু তথ্য

বাদ পড়া তারকাদের নিয়ে ‘বিশেষ দল’

হালান্দ বা সালাহর মতো অনেক বিশ্বসেরা ফুটবলার কেবল নিজেদের দেশ কোয়ালিফাই করতে না পারার কারণে বিশ্বকাপে খেলতে পারেন না। প্রস্তাব করা হয়েছে, বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া দেশগুলোর সেরা র‌্যাংকড খেলোয়াড়দের নিয়ে একটি ‘নিউট্রাল টিম’ বা নিরপেক্ষ দল গঠন করা হোক। এতে দর্শকরা তাদের প্রিয় তারকাদের খেলা দেখার সুযোগ পাবেন।

গোলকিপারদের জন্য কঠিন নিয়ম

ম্যাচ যত গড়াবে, গোলকিপারদের হাত ব্যবহারের সুবিধা তত কমবে। যেমন— ম্যাচের একটি পর্যায়ে গোলকিপার এক হাত ব্যবহার করতে পারবেন না, পরে অন্য হাতও নিষিদ্ধ হবে। এমনকি ইনজুরি টাইমে গোলকিপার কেবল তার ‘মুখমণ্ডল’ বা ফেস দিয়ে বল আটকাতে পারবেন!

চোটের ভান করলেই ‘শাস্তি’

মাঠে ফাউলের শিকার হয়ে ফুটবলারদের মিনিটে পর মিনিট শুয়ে ছটফট করার অভিনয় দেখাটা চরম বিরক্তিকর। নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কোনো খেলোয়াড় যদি চোটের ভান বা ‘ডাইভিং’ করেন, তবে পরের ফাউলে প্রতিপক্ষ কোনো শাস্তি পাবে না। অর্থাৎ, এরপর তাকে সত্যি সত্যি ট্যাকল করার বৈধতা দেওয়া হবে! এতে মাঠে গড়াগড়ি করার অভ্যাস এক নিমেষেই বন্ধ হবে।

দর্শক থেকে সরাসরি মাঠে

ম্যাচের প্রথমার্ধে ১০ মিনিটের জন্য গ্যালারি থেকে লটারির মাধ্যমে যে কোনো একজন দর্শককে বেছে নেওয়া হবে এবং তাকে সরাসরি মাঠে নামিয়ে দেওয়া হবে। তিনি কোন দলকে সমর্থন করেন তা কেউ জানবে না, এমনকি তার সতীর্থরাও নয়। ওই ১০ মিনিট তিনি কীভাবে খেলবেন, তা সম্পূর্ণ তার ওপর নির্ভর করবে।

চোখে পট্টি বেঁধে কর্নার কিক

আজকাল কর্নার কিকের সময় ডি-বক্সের ভেতর ফুটবলারদের মধ্যে কুস্তি প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়। এটি বন্ধ করতে কর্নার নেওয়ার সময় কিকারসহ মাঠের সব খেলোয়াড়ের চোখে পট্টি বেঁধে দেওয়া যেতে পারে! বল মাঠের বাইরে না যাওয়া পর্যন্ত খেলা চলতেই থাকবে।

ভিএআর দেবে ‘বোরিং পেনাল্টি’

অনেক সময় দেখা যায় বড় বড় দলগুলো গোল দেওয়ার চেষ্টা না করে নিজেদের মধ্যে কেবল পাস খেলে সময় নষ্ট করে। নতুন নিয়মে, কোনো দল যদি মাঠে অতিরিক্ত ‘বোরিং’ বা একঘেয়ে ফুটবল খেলে, তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) তাদের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষকে পেনাল্টি উপহার দিতে পারবে।

মাঠে একসঙ্গে দুটি বল!

ফুটবলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও উত্তেজনা দ্বিগুণ করতে মাঠে একই সময়ে দুটি বল দিয়ে খেলা চালানো যেতে পারে। এই নিয়ম চালু হলে রেফারি এবং ধারাভাষ্যকারদের অবস্থা কেমন হবে, তা ভাবাই এক বিশাল বিনোদন।

সৃজনশীল গোল উদযাপনে কার্ড মওকুফ

১৯৯০ বিশ্বকাপে ক্যামেরুনের রজার মিলার কর্নার ফ্ল্যাগের পাশে সেই বিখ্যাত নাচ ফুটবলপ্রেমীরা আজও ভোলেননি। গোল করার পর ফুটবলাররা যদি অত্যন্ত চমৎকার ও সৃজনশীল উপায়ে তা উদযাপন করতে পারেন, তবে রেফারি খুশি হয়ে সেই খেলোয়াড়ের আগের পাওয়া একটি হলুদ কার্ড বাতিল বা মওকুফ করে দিতে পারবেন।

আসন্ন বিশ্বকাপে এই নিয়মগুলো বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা হয়তো শূন্য। তবে ফুটবলকে একঘেয়েমি থেকে বাঁচাতে এমন সাহসী ও পাগলাটে চিন্তাভাবনা নিয়ে আলোচনা করাও মন্দ কী!

Wednesday, May 27, 2026

বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা, হাসপাতালে বোম ডিসপোজাল ইউনিট

বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা, হাসপাতালে বোম ডিসপোজাল ইউনিট

        আদ-দ্বীনে ৬ শিশুর মৃত্যু 

বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা, হাসপাতালে বোম ডিসপোজাল ইউনিট



রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না সে বিষয়ে তদন্তে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট।

বুধবার (২৭ মে) দুপুরে ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিটের একটি দল আদ-দ্বীন হাসপাতালে আসে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউনিটের এক সদস্য বলেন, ‘আমাদের সিনিয়র স্যাররা এখানে ডেকেছেন। আমরা উন্নত প্রযুক্তির কিছু ডিভাইস নিয়ে এসেছি। যে কক্ষে নবজাতকরা মারা গেছে সেই কক্ষে এসব ডিভাইস দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবো। এখানে কোনো বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়েছে কি না, আর ছড়িয়ে থাকলে কোন গ্যাস এবং কী পরিমাণে ছড়িয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শেষে বলা যাবে।’

এর আগে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ রুম থেকে নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করেন।

বুধবার সকালে হাসপাতালটিতে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যু ঘটে। তারা সবাই পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছিল। কী কারণে এই ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্টভাবে কোনোকিছু নিশ্চিত করতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যদিও শিশুদের স্বজনরা অভিযোগ করছেন, নবজাতক ওয়ার্ডে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) যন্ত্রের গ্যাস লিকেজ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে।

দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের মহাপরিচালক (হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিং) অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন বলেন, সকাল ৬টার দিকে হঠাৎ করে বাচ্চার মায়েরা কর্তব্যরত নার্সদের বলছিলেন- বাচ্চাকে অসুস্থ মনে হচ্ছে। তখন ছয়জন বাচ্চাকেই এনআইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে সেখানে নেওয়ার সময় দুজন বাচ্চা মারা যায়। অন্য চারজন বাচ্চার অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের ভেনটিলেটর সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি।

Sunday, May 24, 2026

অনলাইন-অফলাইনে সক্রিয় জাল নোটচক্রের মৌসুমি কারবারিরা

অনলাইন-অফলাইনে সক্রিয় জাল নোটচক্রের মৌসুমি কারবারিরা

 


ঈদ ঘিরে অনলাইন-অফলাইনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল নোটচক্রের মৌসুমি কারবারিরা। সারা বছর তৈরি করা জাল নোটের প্রায় ৭০ শতাংশই এই দুই ঈদকে কেন্দ্র করে বাজারে ছড়ানো হয়ে থাকে।ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ অনলাইনের বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট দিয়ে তারা জালনোট কেনাবেচা করছেন। বর্তমানে এক লাখ টাকার জাল নোট বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায়। কোনো কোনো গ্রুপে ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা দাম চাওয়া হচ্ছে।


গত ১৩ মে রাতে মতিঝিলের কমলাপুর বাজার রোডের একটি সাইবার ক্যাফে থেকে জালনোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩। ১৪ মে উত্তরা ও টঙ্গী থেকে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার জাল নোটসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। 

গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা বলছেন, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গোপনে চালু রয়েছে জাল নোট তৈরির কারখানা। সারা বছর উৎপাদন করা নোটগুলো পশুরহাটসহ মার্কেটগুলোতে ছড়িয়ে দিতে মাঠে সক্রিয় থাকে বহু চক্র।

চলতি মাসের শুরু থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পরে সর্বস্ব খোয়ানোর বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। ঈদ সামনে রেখে গরুর হাট, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও গণপরিবহণে এই চক্রের তৎপরতা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। 

আইনসংশ্লিষ্ট ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌসুমি অপরাধীরা মূলত সীমান্তবর্তী অঞ্চল ও ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে ঈদ বা কোনো উৎসবের আগে রাজধানীতে আসে। সারা বছর গ্রামে ছোটখাটো কাজ করলেও এই সময়ে বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও গণপরিবহণের যাত্রী সেজে সাধারণ নাগরিকত্বের সর্বস্বান্ত করে। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, মৌসুমি অপরাধ রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়াতে হবে। এছাড়া বাড়িফেরা যাত্রীসহ রাজধানীর নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে।